ভালোবেসে মুসলিম ছেলেকে বিয়ে,কিছুদিন পর স্বামী আরেকটি বিয়ে করে লাথি মেরে বের করে দিল

পাবনার আঠঘড়িয়া উপজেলার নাদুরিয়া গ্রামেরর শ্রী রাম দাস এর মেয়ে শ্রীমতি সবিতা রাণী দাস প্রমের ফাঁদে পড়ে ঈশ্বরগঞ্জের উচালিখা ইউনিয়নের আমোদপুর গ্রামের হেকমত আলীর ছেলে শহীদুল ইসলাম  কাছে।  প্রেমের ফাঁদ বুঝতে না পেরে নিজের সংসার ছেড়ে নিজের হিন্দুু ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্মে পরির্বতন হয়ে বিয়ে করেন শহীদুল কে।

কিন্তু প্রতারক স্বামী গোপনে নিজ এলাকায় আরও একটি বিয়ে করে, এখন আর আশ্রয় দিচ্ছে না সবিতাকে। আর ধর্মান্তরিত হওয়ায় সবিতা তার স্বজনদের কাছে ফিরতেও পারছে না। উপায় না পেয়ে গত দুমাস ধরে স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই পেতে লড়াই করে যাচ্ছেন সবিতা বেগম ( পূর্ব নাম সবিতা দাস )  জানা গেছে, গাজীপুরে একই পোশাক কারখানায় কাজ করার সুবাদে সবিতার সঙ্গে শহীদুলের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। শহীদুল বিয়ের আশ্বাস দিলে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ আদালতে এফিডেবিট করে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সবিতা। এরপর ওই বছরের জুন মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। সেই থেকে একসঙ্গে বসবাস করতে শুরু করে তারা। সংসার জীবনও তাদের ভালোই কাটছিলো।

হঠাৎ করেই নিজ এলাকায় সবিতার সঙ্গে বিয়ের কথা গোপন করে আরও একটি বিয়ে করে শহীদুল। যার ফলে সবিতার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় শহীদুল। স্বামীর খোঁজখবর না পাওয়ায় গত মার্চ মাসে স্বামীর বাড়িতে আসে সবিতা। সবিতা স্বামীর বাড়িতে আসায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই অবস্থায় শহীদুল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর সবিতাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেয় স্বামীর স্বজনরা। এমনকি বিয়ের প্রমাণপত্রও নিয়ে আসতে বলা হয় তাকে।

কিন্তু যথাযথ প্রমাণপত্র নিয়ে আসার পরেও স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই মেলেনি সবিতার। উল্টো মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। ওই অবস্থায় স্বামীর বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে গত দুই মাস ধরে আশ্রয়ে আছেন সবিতা।

গনিমতের মাল ভোগ করা শেষ হয়ে গেছে এখন তো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া স্বাভাবিক! হিন্দু মেয়েরা হচ্ছে তাদের কাছে গনিমতের মাল এই কথাটা প্রতিটা হিন্দু মেয়ের মাথায় রাখা উচিৎ!!

Leave a Reply