গলাচিপায় ১৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত হিন্দু ছাত্রী

অপহরণের ১৪ দিন এবং থানায় মামলা দায়েরের ১৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি সংখ্যালঘু পরিবারের ১৩ বছরের স্কুল পড়ুয়া কিশোরী। তাকে উদ্ধারের আশায় বাবা নিঠুর চন্দ্র গাইন, মা শেফালী রানী ও মাসি (খালা) অঞ্জু রানী প্রতিদিন কয়েক মাইল পথ পাড়ি দিয়ে শহরে এসে থানা পুলিশসহ সমাজের গণ্যমান্যদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। কিন্তু আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই মিলছে না। পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন। উপরন্তু অপহরণকারীরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিয়েই যাচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। যদিও পুলিশ দ্রুত অপহৃতকে উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে। 

অপহৃত কিশোরীর মাসি অঞ্জু রানী গত সোমবার রাতে তার বড় বোন শেফালী রানীর মেয়েকে অপহরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ এর ৭/৩০ ধারায় গলাচিপা থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর-০১/৮৩।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, অপহরণের ঘটনাটি ঘটেছে গত ২২ মার্চ। এ সময় ওই স্কুলছাত্রী তার মেতাত ছোট বোন পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী রীতামনিকে নিয়ে গলাচিপা উপজেলার বাদুরাহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আসমা বেগমের বাদুরা বাজারের বাসা থেকে একই উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিল। স্থানীয় ডেকোরেটর ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের বখাটে ছেলে মোটরসাইকেল ড্রাইভার অহিদুল ইসলাম (২১) তার সঙ্গীদের সহায়তায় এ সময় ওই কিশোরীকে অপহরণ করে।

কিশোরীর বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার গাজীপুর বাজারে। সে ছোটবেলা থেকে ছৈলাবুনিয়া গ্রামে মেশু বাবুল চন্দ্র সিকদারের বাড়িতে থাকে। সে বাদুরাহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।

Source/ Courtesy: এইবেলা ডট কম

Leave a Reply