কৃষ্ণবিস্মৃতি থেকেই দেহাত্ম অভিমান উদিত হয়

‘বৈষ্ণবের আবেদনে কৃষ্ণ দয়াময়।
এ হেন পামর প্রতি হবেন সদয়।।’
এই কথা সর্বক্ষণ স্মরণ রাখতে হবে। যিনি শ্রীভগবান ও শ্রীগুরুদেব অচলা শ্রদ্ধা-বিশিষ্ট, তাঁরই হৃদয়ে পরমার্থ বিষয়ক সত্য বাক্য প্রকাশিত হয়। কৃষ্ণসেবা ছাড়া নিত্য কৃষ্ণদাস বৈষ্ণবের অন্য কোনও চেষ্টা নেই। কৃষ্ণবিস্মৃতি থেকেই দেহাত্ম অভিমান উদিত হয়।


সতীর্থদের মধ্যে কাউকেও হরি-গুরু-বৈষ্ণবসেবা থেকে বিচ্যুত হতে দেখলে, কোন গুরুভাই অধঃপতিত হয়েছে বুঝতে পারলে তাকে সরলভাবে হরিভজনের কথা ভালোভাবে বুঝিয়ে শ্রীগুরু-গৌরাঙ্গের মঙ্গলময় বাণী তার কাছে কীর্তন করে তাকে সর্বক্ষণ হরি-গুরু-বৈষ্ণব সেবায় নিযুক্ত রাখতে হবে। হরিকথা বলে তাদেরকে কৃপা করতে হবে।

তাদের অধঃপতনে কটাক্ষ করে আনন্দবোধ করা তাদের মঙ্গল কামনা নয়। এতে আমাদের নিজেদের ও অপরের মঙ্গল সাধিত হয়ে সত্য সত্যই মঠবাসের সার্থকতা সম্পাদিত হবে। পরস্পরের হরিভজনের সহায়তার জন্যই আমরা একসঙ্গে বাস করছি।
জীব যখন নিষ্কপটভাবে শ্রীভগবানের কাছে আত্ম নিবেদন জ্ঞাপন করে, তখন শ্রীভগবান মহান্ত গুরুরূপে আবির্ভূত হন।

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর

Leave a Reply